শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২০, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
নবীগঞ্জের সিমান্তবর্তী জগন্নাতপুরের কামরাখাই কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কাজ স্থগিত পাবনায় মোটরসাইকেল ও ট্রলি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ নবীগঞ্জে ১৪ মামলার আসামী ডাকাত সর্দার গ্রেফতার মৌলভীবাজারে ইডাফ মানবাধিকার সংস্থার জেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন সিনিয়র সাংবাদিক জাহের মিয়া ফকির আর নেই মাধবপুর প্রেসক্লাবের শোক সৈয়দপুরে মাদক ব্যবসায়ী জঞ্জালু ২শ’ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার সৈয়দপুরে পৌর মেয়রের উদ্যোগে মসজিদে ২ লাখ টাকা ও ১০টি সিলিং ফ্যান প্রদান হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ১৪টি ডাকাতি মামলার পলাতক আসামী পুলিশের খাঁচায় বন্ধি মিরপুর শতাব্দী গাড়ীতে গণধর্ষণের শিকার এক গার্মেন্টস কর্মী নীলফামারীতে আরও ৯ জন করোনা পজিটিভ
এক কেজি বেগুনের দামে চার কেজি আলু!

এক কেজি বেগুনের দামে চার কেজি আলু!

ফাইল ছবি

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার হাট-বাজারে সব ধরনের শাক-সবজির দাম বাড়লেও আলুর দর পতন অব্যাহত রয়েছে। সেখানে এক কেজি বেগুণের দামে চার কেজি আলু (পুরাতন) মিলছে। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায় এবং আলু (পুরাতন) বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি দরে।

এদিকে, ন্যায্য দাম না পাওয়ায় কৃষকরা হিমাগার থেকে আলু উত্তোলন করছেন না। কেউ কেউ সংসারের প্রয়োজনে হিমাগারে রাখা আলু পানির দরে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে আলুর দাম কমায় ক্রেতারা খুশি হলেও কৃষকরা দিশেহারা ও হতাশ হয়ে পড়েছেন।

আদমদীঘির কদমা গ্রামের আলু চাষি হজরত আলী, মুসা ফকির, রাশেদুল ইসলাম, সুরুজ মিয়া বলেন, ‘আলুর দাম কমে যাওয়ায় আমরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছি। বর্তমানে যে দরে আলু বিক্রি হচ্ছে তাতে উৎপাদন খরচও উঠবে না।’

গত রবিবার সকালে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রবি মৌসুমের (শীতকালীন) সব শাক-সবজি উঠেছে। সব শাক-সবজির দাম চড়া। প্রতিকেজি বেগুন ৬০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা, পালংশাক ১০০ টাকা, কচুর লতি ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, দেশি পিঁয়াজ ৭০ টাকা ও ভারতীয় পিঁয়াজ ৫৫ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। শুধু আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১৫ টাকা কেজি।

আদমদীঘির চাঁপাপুর এলাকার আতারউর রহমান মিলন মাস্টার বলেন, ‘দাম চড়া হওয়ায় চলতি মৌসুমে আমরা সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই দ্রুত এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজর দেওয়া প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব সবজির দাম চড়া হলেও আলুর দাম অনেক কম। কারণ গতবছর পর্যাপ্ত পরিমান আলু উৎপাদন হয়। আবার বাজারে চলতি বছরের নতুন আলু আসা শুরু করেছে। তাই গত বছরের আলু বিক্রি না হওয়ায় এখন দাম কমেছে।’

কুণ্ডুগ্রামের হাফিজুর রহমান বলেন, ‘কৃষক পর্যায়ে সব সবজির দাম অনেক কম। কিন্তু হাত বদল হয়ে সবজি বাজারে আসতে আসতে দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ হয়ে যাচ্ছে। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষজনকে সবজি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে গত মৌসুমে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আলু চাষ করা হয়েছে। আলু উৎপাদন হয়েছে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিকটন। এর মধ্যে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিকটন বিভিন্ন হিমাগারে সংরক্ষণ করেন। বাকি আলু খাবার জন্য দেশীয় পদ্ধতিতে নিজ নিজ বাড়িতে সংরক্ষণ করেছেন কৃষকরা।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Checkpost Media
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!