বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কুলিয়ারচরে এমপিওভুক্ত হল ৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে সড়ক পরিবহন আইন ক্যাসিনো সংশ্লিষ্ট ২২ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি কারাগারে নওয়াজ শরিফকে বিষ দেওয়া হচ্ছে, ছেলের অভিযোগ চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ের নতুন চারটি মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত কুলিয়ারচরে একটি রাস্তা নির্মাণের দাবী দীর্ঘ দিনের মাতুয়ারকান্দা বাসীর আমিই পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উন্নত মানুষ : ট্রাম্প মৌলভীবাজারে মাদক,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ ও গুজব সম্পর্কে সচেতনতামূলক মতিবিনিময় সভা কুলিয়ারচর উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের রাজনগরে ৩ কিঃমিঃ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের উদ্ভোধন
আবরার নয়, হত্যাকারীরাই শিবির করত!

আবরার নয়, হত্যাকারীরাই শিবির করত!

চেকপোস্ট ডেস্ক:: আবরার হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতারকৃত ছাত্রলীগ নেতারা দাবি করেছিলেন আবরার ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু টর্চার সেলে আবরারের মোবাইল ও ল্যাপটপ তল্লাশি করেও হত্যাকারীরা এ সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ পায় নি। এরপর তারা স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্যে আবরারের উপর দীর্ঘ ছয় ঘন্টা স্ট্যাম্প, স্কিপিং রোপ ইত্যাদি দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালায়। তবুও তারা আবরারের সাথে শিবিরের সংযুক্ততার কোনো সূত্র পায় নি। কিন্তু এবার বেরিয়ে এলো নতুন তথ্য। শোনা যাচ্ছে, আবরার নয় বরং খুনিদের অন্তত তিনজনের পরিবার জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সাথে যুক্ত। এমনই এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা যায়যায়দিনে।

প্রতিবেদনটিতে আবরার হত্যা মামলা তদন্তকারী গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে, এ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিনের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড জামায়াতের বলে গোয়েন্দারা তথ্য পেয়েছে। তার বাবা রাজশাহীর পবা থানাধীন চৌমুহনীর কাপাসিয়া এলাকার বাসিন্দা মাকসুদ আলী জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। রবিনের দাদা মমতাজ উদ্দিন জামায়াতের ব্যানারে মেম্বার নির্বাচনও করেছিলেন। চাচা ইমরান আলীর বিরুদ্ধে জামায়াতের পক্ষে নাশকতা চালানোর চারটি মামলা রয়েছে। অথচ এই রবিনও গত ঈদুল ফিতরের আগে কৌশলে ছাত্রলীগের কমিটিতে ঢুকে পড়ে। তার নেতৃত্বে বুয়েটের আরও অন্তত একডজন শিক্ষার্থী শিবির সন্দেহে মারধরের শিকার হয়েছে।

রবিন ছাড়াও আবরারের আরও দুই খুনির পরিবারের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার তথ্য গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের হাতে আসেনি। তদন্তে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, জামায়াত-শিবিরের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এসব শিক্ষার্থী কীভাবে বুয়েট ছাত্রলীগের কমিটিতে ঢুকল, তাদের নেপথ্যে কারা সহযোগিতা করেছে তা-ও খুঁজে দেখা হচ্ছে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা জানান, ভারতবিদ্বেষী স্ট্যাটাস কিংবা ছাত্রশিবির সন্দেহে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, এ বিষয়টি প্রথম থেকে সামনে এলেও এর নেপথ্যে আরও একাধিক অন্য কারণ থাকতে পারে। যা তারা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Checkpost Media
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!