শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

নোটিশ:
দৈনিক চেকপোস্ট পত্রিকায় সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত ই-মেইল করুন-checkpost2015@gmail.com এ। প্রয়োজনে-০১৯৩১-৪৬১৩৬৪ নম্বরে কল করুন।
‘সার-বীজ বিতরণে ছোটখাটো দুর্নীতি হতে পারে’

‘সার-বীজ বিতরণে ছোটখাটো দুর্নীতি হতে পারে’

চেকপোস্ট ডেস্ক : কৃষকদের মধ্যে সার ও বীজ বিতরণে ছোটখাটো অনিয়ম বা দুর্নীতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে সার ও বীজ বিতরণে মুনাফার লোভে কিছু ব্যবসায়ী এখন ছোটখাটো অনিয়ম-দুর্নীতি করতে পারে, তবে সারা দেশে স্বাভাবিকভাবেই সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন, ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন সারা পৃথিবীতে বিষ্ময়।’

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবু জাহিরের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির দুই মেয়াদে সার নিয়ে অমানবিক দুর্নীতি হয়েছে। সার নিয়ে বিএনপির অস্বাভাবিক দুর্নীতির কারণে ফসল উৎপাদন কমে গিয়েছিল। ৯৫ সালে সারের দাবি জানালে ১৮ জন কৃষককে হত্যা করা হয়। এরপর আবার ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে তাদের ওই পাঁচ বছরই সারের সঙ্কট ছিল। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৭ জানুয়ারি প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকেই তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সারের দাম কমানোর এজেন্ডা এনেছিলেন। তখন সারের দাম কমানো হয়। বিএনপির আমলে ৭২ টাকার টিএসপি কমিয়ে ২২ টাকা, ৯০ টাকার ডিএসপি কমিয়ে ২৫ টাকা করা হয়। ৬০ টাকার পটাশ কমিয়ে ১৫ টাকা করা হয়। এখনো সেই ১৫ টাকায়ই সার বিক্রি হচ্ছে।’

সরকারের এ মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির আমলের মতো বর্তমান সরকারের আমলে সারের জন্য কৃষককে মেম্বারের কাছে, ডিলারের কাছে দৌঁড়াতে হয় না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যারা সার বিতরণের সঙ্গে জড়িত, তারা যথেষ্ট সতর্ক আছে। অভিযোগ উঠেছে, এক শ্রেণির ব্যবসায়ী প্রতারণা করে। আমি বলব, প্রতারণা অনেক কমে গেছে। যার ফলে কৃষক ঠিকমতো সার ও বীজ পাচ্ছে, উৎপাদন বেড়েছে। গত মৌসুমে আমাদের ধান উৎপাদনের টার্গেট ছিল এক কোটি ৪০ লাখ। কিন্তু উৎপাদন হয়েছে এক কোটি ৫২ লাখ।’

সরকারি দলের সাংসদ আবদুল মান্নানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ধান কাটা এবং ধান লাগানের জন্য মেশিন ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকার উৎস্য মূল্য ভর্তুকি দেবে। এ ব্যাপারে খুব শিগগিরই গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন উভয় সঙ্কট হয়ে গেছে। আগে উৎপাদন কম হলে দুর্ভিক্ষ হতো, এখন উৎপাদন বেশি হওয়ায় তা সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এবার প্রায় চার লাখ টন ধান সরাসরি কেনা হয়েছে। চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা হবে। মন্ত্রণালয় থেকে সারা দেশে টিম যাবে, তারা দেখবেন সত্যিকারের চাষীদের কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে কি না। যদি না হয় তাহলে জড়িত কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Checkpost Media
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!