মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মৌলভীবাজার জেলা কারাগার পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান হবিগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে ৩৪০ পিচ ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নীলফামারী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আবুজার রহমানের ওপর হামলা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নিক্সন গ্রেফতার করোনা সচেতনতা বৃদ্ধিতে এবার শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে পটনাট্য দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও লাইসেন্সবিহীন অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের বিপণন নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট চুনারুঘাটে মুড়াবন্দ মাজারে  সাখাওয়াত হোসেন শফিক ও সেলিম এর রোগমুক্তিতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  মুফতি আলাউদ্দিন জিহাদীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রসেনার নিন্দা প্রকাশ সাংবাদিক হত্যার পরিকল্পনাকারীর বিরুদ্ধে থানায় আইনি ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিবাদ সভা ডিমলায় প্রকাশ্যে মেয়ের গোসলের ভিডিও ধারনে বাধা দেয়ায় বখাটের হামলায় মা নিহত।। গ্রেফতার ১
অবহেলিত রেলওয়ে

অবহেলিত রেলওয়ে

ফাইল ছবি

প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় অনুমোদিত ৩ হাজার ১৭১ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ২৮টি উপকারখানায় (শপ) কর্মরত আছেন ১ হাজার ২০৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। অর্থাৎ জনবল ঘাটতি ১ হাজার ৯৬৭ জন। অনেকে কমিশন পাওয়ার আশায় দেশে যন্ত্রপাতি না বানিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি করতে বেশি উৎসাহী।

কোনো কারখানা কি দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি রেখে চলতে পারে? কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ে বলে কথা। আড়াই দশক আগে রেলওয়েতে সোনালি করমর্দনের মাধ্যমে রেলওয়ের লোকবল কমানো হয়েছিল। সেটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত—মাথাব্যথা সারানোর নামে মাথা কেটে ফেলা।

রেলওয়ের প্রতি আগের সরকারগুলোর অবহেলা এতটাই প্রকট ছিল যে তারা মন্ত্রণালয়টি তুলে দিয়ে একটি বিভাগে রূপ দিয়েছিল। এখন আলাদা রেলপথ মন্ত্রণালয় হলেও আগের বদভ্যাস কাটাতে পারেননি রেলওয়ের পদাধিকারীরা। যেখানে একটি কারখানায় অনুমোদিত জনবলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি, সেখানে রেলওয়ের উন্নয়নে সরকার আগ্রহী দাবি করা হাস্যকর। প্রতিবেশী ভারতে যখন রেলপথের সেবা বাড়ানো হচ্ছে, তখন বাংলাদেশে রেলওয়ে সংকুচিত করা আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।

রেলওয়ের আয় বাড়াতে হলে এর যাত্রীসেবার মানের পাশাপাশি রেলপথের দৈর্ঘ্যও বাড়াতে হবে। বর্তমানে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় সীমিত লোকবল দিয়ে মাসে যদি গড়ে ২৬টি কোচ ও ২৫টি মালবাহী ওয়াগন মেরামত এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ রকমের যন্ত্রাংশও তৈরি সম্ভব হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় লোকবল থাকলে অনেক বেশি কোচ-ওয়াগন মেরামত ও যন্ত্রাংশ তৈরি করা সম্ভব হতো। দেশে এসব রেলওয়ে সরঞ্জাম তৈরি হলে রেলওয়ে যেমন স্বাবলম্বী হবে, তেমনি মানুষের কর্মসংস্থানও হবে।

অবিলম্বে সৈয়দপুর কারখানায় অনুমোদিত পদে লোক নিয়োগ করে এর উৎপাদন বাড়ানো হোক। রেলওয়েকে স্বাবলম্বী করতে হলে এর বিকল্প নেই।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Checkpost Media
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!