বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কুলিয়ারচরে এমপিওভুক্ত হল ৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে সড়ক পরিবহন আইন ক্যাসিনো সংশ্লিষ্ট ২২ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি কারাগারে নওয়াজ শরিফকে বিষ দেওয়া হচ্ছে, ছেলের অভিযোগ চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ের নতুন চারটি মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত কুলিয়ারচরে একটি রাস্তা নির্মাণের দাবী দীর্ঘ দিনের মাতুয়ারকান্দা বাসীর আমিই পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উন্নত মানুষ : ট্রাম্প মৌলভীবাজারে মাদক,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ ও গুজব সম্পর্কে সচেতনতামূলক মতিবিনিময় সভা কুলিয়ারচর উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের রাজনগরে ৩ কিঃমিঃ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের উদ্ভোধন
তোপের মুখে আবরারের গ্রাম ছাড়লেন বুয়েট উপাচার্য

তোপের মুখে আবরারের গ্রাম ছাড়লেন বুয়েট উপাচার্য

চেকপোস্ট ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কুষ্টিয়া গিয়ে বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম তোপের মুখে পড়েছেন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি আবরারের গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলায় রায়ডাঙ্গা গ্রামে পৌঁছান। এরপরই এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন।

স্থানীয় সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম তারিক জানান, বুয়েট ভিসি শুধুমাত্র আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে বাধা দেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। এতে করে আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরো একজন নারী আহত হন।

পরে কবর জিয়ারত করে পরিবারের সঙ্গে দেখা না করেই ৫টার কিছু পরে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন উপাচার্য সাইফুল ইসলাম।

পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

এর আগে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান বুয়েট উপাচার্য।

রায়ডাঙ্গা গ্রামে আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন করা হয়। আবরারের বাড়ির পাশে ও কবরের আশেপাশের এলাকায় অসংখ্য র‌্যাব ও পুলিশ অবস্থান নেয়।

এ সময় পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে কারো মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

উপাচার্যের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এলাকা ত্যাগ করেন। পরে এলাকাবাসী গ্রামের সড়কে অবস্থান নেন।

রোববার রাত আটটায় বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী। এরপর তাকে শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা হলের প্রাধ্যক্ষ জানেন রাত পৌনে তিনটায়। কিন্তু এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে উপাচার্য সেখানে যাননি পরপর প্রায় দুই দিন।

এমনকি শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করলেও তাদের সামনে আসেননি উপাচার্য। এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার দিনভর আন্দোলন করার পর তাদের আন্দোলনের মুখে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সামনে এলে তিনি তোপের মুখে পড়েন।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Checkpost Media
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!