বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

নোটিশ:
দৈনিক চেকপোস্ট পত্রিকায় সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন। ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত ই-মেইল করুন-checkpost2015@gmail.com এ। প্রয়োজনে-০১৯৩১-৪৬১৩৬৪ নম্বরে কল করুন।
গরমে ঠাণ্ডা খাওয়া কি ভাল?

গরমে ঠাণ্ডা খাওয়া কি ভাল?

গরমে পানি পিপাসা বাড়ে তা তো আমরা সবাই জানি। তবে অনেক সময়ই গলা ভেজাতে পানির পরিবর্তে ঠাণ্ডা চা–কফি বা কোমল পানীয় খান। কিন্তু তীব্র গরমে পানির চাহিদা মেটাতে ঠাণ্ডা পানীয় খাওয়া কি ভাল?

কিছু ভুলের কারণে অনেক সময়ই শরীরে দেখা যায় হালকা পানিশূন্যতা। কিন্তু তা খুব একটা গুরুত্ব দেয় না কেউ। প্রথম দিকে ছোট সমস্যা হওয়ায় চোখে পড়ার মতো কোনো লক্ষণও থাকে না। কিন্তু দিনের পর দিন তীব্র গরমে পানির বদলে ঘন ঘন চা-কফি-ঠাণ্ডা পানীয়ের অভ্যাস এক সময় বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়।

হালকা পানিশূণ্যতার লক্ষণ

পানিশূন্যতার সমস্যা থাকতে থাকতে এক সময় দেখা যায়, চামড়া কুঁচকে, কিডনি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এতে রোগী নিস্তেজ হয়ে পড়েন, প্রস্রাব খুব কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। এমন কি ঘুমের মধ্যে প্রাণও হারাতে পারেন। হালকা বা মাঝারি পানিশূন্যতায় কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে জানেন?

চিকিৎসকদের মতে, অসম্ভব ক্লান্তি, ঘুম–ঘুমভাব, মাথা টিপ টিপ, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা, গলা শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা হালকা থেকে গাঢ় হলুদ প্রস্রাব হওয়া, পেট পরিষ্কার না হওয়া, চামড়ায় রুক্ষ হওয়া, এমনকি শিশুদের ক্ষেত্রে হঠাৎ চোখে পড়ার মতো অস্থিরতা বেড়ে যায়।

কেন হয়

পানি কম খাওয়া হলো এর প্রধান কারণ। তার সঙ্গে প্রচুর ঘাম হলে এমন সমস্যা বাড়ে। এর উপর যদি শরীর থেকে পানি বের করে দেয় তেমন জিনিস বেশি করে খেতে শুরু করেন যেমন কফি–ঠাণ্ডা পানীয়–মদ তবে বিপদ বাড়ে। এদের বলে ডাইইউরেটিক অর্থাৎ খেলে বার বার প্রস্রাব পায়। আর প্রস্রাব হচ্ছে বলে সবাই ধরে নেন সব ঠিক আছে। কাজেই এ সব খেতে চাইলে পরিমিত পরিমাণে পানিও খান।

যা করবেন

প্রস্রাবের পরিমাণ ও রং যত ক্ষণ না স্বাভাবিক হচ্ছে পানি খাওয়া চালিয়ে যান। অবশ্য যদি কিডনির অসুখ না থাকে।

ফলের রস, স্যুপ, ডাবের পানি, লবণ চিনির শরবত খান। ডায়াবেটিস, হাইপ্রেশার, মেদের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাবেন।

ঘন ঘন চা-কফির বদলে ঠাণ্ডা পানি ও মাঝে মধ্যে এক কাপ চা খান। রোদে একটু কম যান। বেশি ঘাম হলে সমস্যা বাড়বে। তাই বিশ্রাম নিন।

চেষ্টা করুন খুব গরমের কয়দিন ঠাণ্ডা ঘরে বসে ব্যায়াম করতে। সম্ভব না হলে ব্যায়াম কয়দিন বাদ থাকুক। কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে ভাববেন না পানি খেতে থাকুন। পানিশূন্যতা সেরে গেলে এটি কমবে নিজের নিয়মে।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Checkpost Media
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!