রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি ও এক এসআই প্রত্যাহার মাধবপুরে নিরাপত্তার অজুহাতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রাস্তায় বেস্টনি হবিগঞ্জে জেলা ছাত্রদলের প্যাডে বাংলাদেশ বানান ভুল সমালোচনা তুঙ্গে  মৌলভীবাজারে সাংবাদিক রাধিকা মোহন গোস্বামী স্মৃতি পদক ২০২০ প্রদান নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন নীলফামারীতে ৪০ বছর ধরে জোঁয়াল বুকে জড়িয়ে তেলের ঘানি টানছেন সত্তুরোর্ধ মোস্তাকিম তেলি সৈয়দপুরে বন্ধন শিল্পী গােষ্ঠীর রজত জয়ন্তী উদযাপন বড়লেখায় চুরি হওয়া কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন উদ্ধার: গ্রেফতার ৫ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে নিজের কিশোরী মেয়েকে  ধর্ষন করলেন পিতা! মায়ের মামলায় স্মামী কারাগারে আজমিরীগঞ্জ পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ আগুন
কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে যা বলে গেছেন হকিং

কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে যা বলে গেছেন হকিং

চেকপোস্ট ডেস্ক : গত মার্চ মাসে মারা গেছেন স্টিফেন হকিং। মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই গবেষণার কাজ শেষ হয়েছিল। স্টিফেন হকিংয়ের সেই অপ্রকাশিত শেষ গবেষণাপত্রটি তাঁর সহকর্মীদের উদ্যোগে ছাপা হল ‘এআরএক্সআইভি’ নামে একটি প্রি-প্রিন্ট জার্নালে।

কৃষ্ণগহ্বরের রহস্য নিয়ে তাঁর গবেষণা দীর্ঘ। তাঁর তৃতীয় এই গবেষণাপত্রটিতে রয়েছে ব্ল্যাকহোল তথা কৃষ্ণগহ্বরের রহস্য নিয়ে নতুন ধারণা। যদিও বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, হকিংয়ের এই তত্ত্ব ‘কোয়ান্টাম মেকানিকস’-এর নীতি ভঙ্গ করছে।

তারায় তারায় সংঘর্ষ হলে তৈরি হয় কৃষ্ণগহ্বর। জ্যোতি পদার্থবিদ্যার ক্লাসিক্যাল তত্ত্ব বলে, কৃষ্ণগহ্বরের মহাকর্ষ বল এতই শক্তিশালী যে সেই টান ফাঁকি দেওয়ার উপায় নেই কারও। সবই গিলে ফেলতে পারে সে। এমনকি আলোও। একে ঘিরে থেকে ঘটনা-দিগন্ত বা ‘ইভেন্ট হরাইজন’, যেখানে স্থান-কালও দুমড়ে মিলিয়ে যায়। এবং কৃষ্ণগহ্বরগুলি যত যা গিলেছে তার সবই, থেকে যায় তার পেটে এবং সেই সব বস্তুর ইতিহাস তথা যাবতীয় বৃত্তান্ত বা তথ্যও থেকে যায় সেখানে। কিছুই হারায় না।

কিন্তু ১৯৭০ সালে হকিং দাবি করেন, কৃষ্ণগহ্বরের নিজস্ব তাপমাত্রা আছে। আছে কণাদের অস্থিরতার পরিমাপ বা ‘এনট্রপি’। এবং কৃষ্ণগহ্বর থেকে চুইয়ে বের হয় কোয়ান্টাম কণা (হকিং রেডিয়েশন)। এভাবে কৃষ্ণগহ্বর ক্রমে উড়ে যেতে থাকে। এবং এক সময়ে শূন্যস্থান ছাড়া কিছুই থাকে না। প্রশ্ন হল, এত কিছু যে খেয়েছিল তার ইতিহাস বা তথ্যগুলি তবে যাবে কোথায়? পদার্থবিদ্যা দাবি করে, মহাবিশ্বের কোনও তথ্য ‘কখনো হারায় না’!

২০১৬ সালে হকিং ও তাঁর দল দাবি করে, কৃষ্ণগহ্বর থেকে যে বিকিরণ বের হয় তা আসলে আলোর কণা ফোটন ও গ্র্যাভিটন (বিজ্ঞানীদের কল্পনায় গ্র্যাভিটি বা মহাকর্ষ কণা)। সেই কণাগুলি দিয়ে কৃষ্ণগহ্বরের ঘটনা দিগন্তের বাইরে নরম চুলের গোলার মতো কিছু তৈরি হয়। ওই নরম কেশরাশিতেই ধরা থাকে কৃষ্ণগহ্বরের যাবতীয় তথ্যের খানিকটা।

কতটা তথ্য?
তার একটা সমীকরণও দেওয়া হয়েছে হকিংয়ের নতুন গবেষণাপত্রটিতে। এটিকে বলা হচ্ছে, হকিং ইকুয়েশন। মারা যাওয়ার ক’দিন আগে সতীর্থরা যখন হকিংকে তাঁর ভাবনার এই ফসলের কথা জানিয়েছিলেন, তখন তার মুখে ফুটে উঠেছিল চওড়া হাসি। হকিংয়ের এই তত্ত্ব বাস্তবে প্রমাণিত হয় কি না, এখন তাই দেখার বিষয়।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Checkpost Media
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!